সমীরণ চক্রবর্তী স্মৃতি টি-২০ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন সংহতি, কসমোপলিটন রানার্স।


newsagartala24.com Images

আগরতলা, Mar 27, 2025, ওয়েব ডেস্ক থেকে 2025


ফাইনাল যেন গ্র্যান্ড ফিনালের মতোই হয়েছে। শেষ ওভারে সিদ্ধান্ত। আর পাঁচটি বলকে ডট বল-এর রূপ দিতে পারলেই টি-টোয়েন্টি ট্রফি চলে যেতো কসমোপলিটনের ঘরে। শংকর, সৌরভের হাত ধরে। সঙ্গে থাকতো নরেন্দ্র হিরোয়ানির তনয় মিহির হিরোয়ানির সৌজন্যে। এদিকে, বরাবরের মতো শ্রীদাম পালের সঙ্গে অরিন্দম বর্মনের মারকুটে ব্যাটিং এবং রানা দত্ত-দের বিধ্বংসী বোলিং খেতাবি লড়াইয়ের ফলাফল চলে গেল সংহতির পক্ষে। পক্ষান্তরে, সংহতির কর্তৃত্বপূর্ণ কাম-ব্যাক মূলত: এবারকার সমীরণ চক্রবর্তী মেমোরিয়াল ট্রফি বিজয়। টিসিএ আয়োজিত টি-টোয়েন্টি সিনিয়র ক্লাব লীগ ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচে, বুধবার রোমাঞ্চকর ভাবে অন্তিম ওভারে সংহতি ক্লাব ৩ উইকেটের ব্যবধানে ৩০০ মিটার নিকটবর্তী ভাতৃ-প্রতিম কসমপলিটন ক্লাবকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন খেতাব অর্জন করে নিয়েছে। এমবিবি স্টেডিয়ামে সকাল দশটায় ম্যাচ শুরুতে টস জিতে সংহতির অধিনায়ক সঞ্জয় মজুমদার প্রথমে ফিল্ডিং এর সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে চ্যালেঞ্জিং স্টাইলে ব্যাট চালিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান সংগ্রহ করে।

অধিনায়কোচিত ব্যাট চালিয়ে শংকর পাল যখন অর্ধশতক রানের লক্ষ্যে একটি বাউন্ডারি হাঁকানোর জন্য মুখিয়ে ছিলেন, ঠিক তখনই রানা দত্তের বলে অজয় সরকারের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে আসাটাই অনেকে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট ধরে নিচ্ছেন। এছাড়া, উইকেট রক্ষক বাবুল দে ২০ বলে ২২ রান সংগ্রহ করেছিল। সংহতির রানা দত্ত ২৩ রানে তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে কসমপলিটনকে সীমিত স্কোরে আটকে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। স্বাভাবিক কারণে রানা প্লেয়ার অফ দ্যা ম্যাচের খেতাবও পায়। এছাড়া, অজয় সরকার ৪২ রানে ২টি এবং চিরঞ্জিত পাল ও সানি সিং একটি করে উইকেট পেয়েছিল। পাল্টা ব্যাট করতে নেমে সংহতি শুরু থেকেই অনেকটা সমান গড়ে রান সংগ্রহে সক্ষম হলেও শেষ দিকে ম্যাচটা কঠিন হয়ে ওঠে রানা দত্তের রান আউট এবং যশরাজ জোশি ও সঞ্জয় মজুমদার দুজনে সৌরভ করের পর পর দুই বলের শিকার হলে। তবে ঠিক চার বল বাকি থাকতে অরিন্দম বর্মন মূলতঃ সানি সিং-এর সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছায়। ওপেনার শ্রীদাম পাল ৩০ বল খেলে চারটি বাউন্ডারি ও দুটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৪১ রান সংগ্রহ করে দলকে এগিয়ে দেয়। আরুষ শাব্রাওয়াল আরও একটু সহযোগিতার হাত বাড়ায় ৩২ বলে ৩০ রান সংগ্রহ করে। অরিন্দম বর্মন ১৭ বল খেলে একটি বাউন্ডারি ও তিনটি ওভার বাউন্ডারি মেরে অপরাজিত ভূমিকায় সংগৃহীত ৩২ রান দলের জয়ের পেছনে বিশেষ ভূমিকার দাবি রাখে।